প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপ - Plumbing drawing measurements - ট্রাই স্কয়ার

 প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপ - Plumbing drawing measurements - ট্রাই স্কয়ার
প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপ - Plumbing drawing measurements - ট্রাই স্কয়ার

প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপ - Plumbing drawing measurements - ট্রাই স্কয়ার

প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপ

প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপড্রইং হলো কোনো একটি বস্তুকে কাগজের উপর নিয়মতান্ত্রিক রেখাসমূহের মাধ্যমে উপস্থাপন করার কৌশল।

প্লাম্বিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পরিমাপ ও ড্রইং। প্লাম্বিং কাজ করতে গেলে পরিমাপ এবং ড্রইং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। পাইপ লাইন স্থাপন করতে গেলে কোথায় কতটুকু পাইপ দরকার, কোন ফিক্সার কত উচ্চতায় বসবে, লাইনে কোন ফিটিংস কোথায় বসবে, লাইন স্থাপনে কত গুলো ফিটিংস ব্যবহার করতে হবে, কতটুকু গ্রুপ কাটতে হবে তার জন্য ড্রইং এবং পরিমাপ খুবই প্রয়োজন । ইংরেজীতে একটি প্রবাদ হলো- "Drawing in the language of Bagineer" অর্থাৎ ড্রইং হলো প্রকৌশলবিদদের ভাষা" । এই অধ্যায় শেষে আমরা প্লাম্বিং ড্রইং এবং পরিমাণ সম্পর্কে জানব এবং বাস্তবে এগুলো কিভাবে প্রয়োগ করা হয় তা শিখৰ ।

ড্রয়িং টুলস এবং ড্রয়িং মালামাল এবং পরিমাপক টুলস সম্পর্কে বর্ণনা
পরিমাপঃ
যে প্রক্রিয়ার সাহায্যে কোন বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, ওজন মাপা যায় তাকে পরিমাণ বলে।

পরিমাণ টুলস

যে সব টুলস কোন বন্ধ বা যন্ত্রাংশের মাপ গ্রহণ বা পাঠ গ্রহণ করার কাজে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে পরিমাপক টু (Measuring Tools) বলে। যেমন, পার্স, কম্বিনেশন সেট, মাইক্রোমিটার

পরিমাপক টুলস এর নাম ও ব্যবহার মাইক্রোমিটার (Micrometer)
মাইক্রোমিটার এর সাহায্যে খুব ছোট দৈর্ঘ্য সুরু তারের ব্যাস এবং পাতলা পাতের পুরুত্ব অতি সুক্ষ ভাবে মাপার জন্য ব্যবহার করা হয়।

ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স (Vernier callpers )
ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স কোন দন্ডের দৈর্ঘ্য, ব্যাস এবং কোন ফাঁপা টিউবের ভিতরের ও বাহিরের ব্যাস ও গভীরতা মাপার জন্য ব্যবহার করা হয়।

মেজারিং টেপ (Tape )
দুরত্ব মাপার জন্য মেজারিং টেপ ব্যবহার করা হয়। বাজারে বিভিন্ন ধরনের মেজারিং টেপ পাওয়া যায়। যেমন, ৫০ফুট, ১০০ফুট, ১০ মিটার স্টিল টেপ ইত্যাদি।

ট্রাই স্কয়ার
একটি ছোট হাতা বা বাহুর সাথে একটি পাত বা ব্লেড কে ৯০° কোণে শক্ত করে রিভেট করে ট্রাই জন্নার তৈরি করা হয়। ব্লেড টি স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি। এটি সাধারণত ৬ ইঞ্চি থেকে ২৪ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। এর এক দিকে মিলিমিটার, সেন্টিমিটার এবং অন্য দিকে ইঞ্চি দাগ কাটা থাকে। ট্রাই ক্ষমার ৯০° কোণ পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ইহা সাধারণত কাঠ মিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি ও প্রাদ্বারগণ ব্যবহার করে থাকে।

আউট সাইড ক্যালিপার্স
এর বাহু প্রান্তদ্বয় ভিতরের দিকে সামান্য বাঁকানো। গোলাকার বস্তুর বাহিরের ব্যাস, গ্রন্থ ইত্যাদি মাপার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

ইন সাইড ক্যালিপার্স
এর বাহু প্রাপ্তদ্বয় বাইরের দিকে সামান্য বাঁকানো। ভিতরের ব্যাস, গর্ভ বা খাঁজের ভিতরের মাপ ইত্যাদি মাপার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপ - Plumbing drawing measurements - ট্রাই স্কয়ার

স্টিল রুল
কম সুরুত্বে মাপ নেওয়ার জন্য স্টিল রুম ব্যবহার করা হয় এবং সোজা সৃষ্টি ভাবে নাগ দেয়ার ফুল ব্যবহার করা হয়।

ড্রইং টুলস এর নাম ও ব্যবহার
ড্রয়িং

কোন একটি বস্তুকে কাগজের উপর নিরমতান্ত্রিক রেখাসমূহের মাধ্যমে উপস্থাপন করার কৌশলকেই ড্রইং বলা হয়। অর্থাৎ কোন কাজের বিস্তারিত মেজারমেন্ট অনুযারী বিভিন্ন প্রকার রেখা এবং শিক্ষণ এর মাধ্যমে নকশা করা হয় তাকে ড্রয়িং বলে।

সেট স্কোয়ার
কোন লাইন সমান ভাবে দেওয়ার জন্য সেট স্কোয়ার ব্যবহার করা হয়। নিম্নে P এবং Q দুটি বিন্দু এই বিন্দু লুইটিকে একই সরল রেখার টানার জন্য সেট স্কোয়ার ব্যবহার করা হয়। সেট করারের সাহায্যে আমরা ৪৫°, ৬০° এবং ৯০° কোণে কোন রেখা অংকন করতে পারি।

ড্রইং টেবিল
ড্রইং করার জন্য যে টেবিল ব্যবহার করা হয় তাকে ড্রইং টেবিল বলে। এই টেবিলে ড্রইং সিট আটকিয়ে ড্রই করা হয়।

জ্যামিতি বক্স
ড্রইং করার যন্ত্রপাতি যে বক্সে থাকে তার নাম জ্যামিতি বক্স । অর্থাৎ এই বক্সের ভিতরে একত্রে অনেক যন্ত্রপাতি থাকে যাহা কাজের জন্য সুবিধা বহন করে ।

ট্রাই এঙ্গেল
ত্রিভুজ আকারের কোন কিছু আকা অথবা মাপার জন্য ট্রাই এজেল ব্যবহার করা হয় ।

ড্রইং এর মালামাল
রুমাল

ড্রইং করার পর ড্রইং শীট এর উপর ময়লা থাকলে তাহা পরিষ্কার করার জন্য রুমাল ব্যবহার করা হয়

ইরেজার
পেন্সিলের সাহায্যে সাধারণত আমরা ড্রইং করে থাকি । ড্রইং করার পর ড্রইং এর কোন দাগ মুছা বা পরিবর্তন করার জন্য ইরেজার ব্যবহার করা হয় ।

পেন্সিল
ড্রইং করার জন্য অর্থাৎ ড্রইং পেপারে কোন কিছু আকার জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা হয় । পেন্সিল ব্যবহারের সুবিধা হলো এটার দাগ গুলো সহজে মুছে ফেলা যায় । বিভিন্ন ধরনের পেন্সিল ড্রইং করতে ব্যবহার করা হয়। যেমন 2B, 1B, H, HB, 2H ইত্যাদি।

ড্রইং শীট
ড্রইং শীট ড্রইং করার ব্যবহার করা হয় । অর্থাৎ এই ৭টি ব্যবহার করে ড্রইং করা হয় নরমাল শীট এর চেয়ে ড্রইং শীট একটু আলাদা হয়। বাজারে বিভিন্ন আকারের ড্রইং শীট পাওয়া যায়। যেমন ১০"x২০", ২০"x৩০", ৩০"xB" ইত্যাদি বা A3, A4, A5 ইত্যাদি।

পরিমাপ সম্পর্কে ধারনা
পরিমাণ পদ্ধতি কোন বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, ওজন প্রভৃতি মাগার প্রক্রিয়াকে পরিমাপ পদ্ধতি বলে। পরিমাপের পদ্ধতিকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সি. জি. এস পদ্ধতি
২) এক. পি. এস পদ্ধতি
৩) এম. কে. এস পদ্ধতি
জি এস পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার ভরের একক গ্রাম এবং সময়ের একক সেকেন্ড। অথবা আমরা বলতে পারি লি-সেন্টিমিটার, জি-গ্রাম এবং এক্স-সেকেন্ড। অর্থাৎ সি. জি. এস বলতে সেন্টিমিটার গ্রাম সেকেন্ড পদ্ধতি বুঝায়।

এক. পি. এস পদ্ধতি :
এক. পি. এস ফল ব্রিটিশ পদ্ধতিতে মাপের একক এখানে দৈর্ঘ্যের একক ফুট, ভরের একক পাউন্ড এবং সময়ের একক সেকেন্ড। বলতে পারি (F) ফুট, (P)পাউন্ড এবং (S) সেকেন্ড অর্থাৎ এফ. পি. এস ফলতে ফুট পাউণ্ড লেকেক পদ্ধতি বুঝায়।

এম. কে. এস পদ্ধতি :
এম. কে. এস হল মেট্রিক পদ্ধতিতে মাপের একক। এখনে দৈর্ঘ্যের একক মিটার, ভরের একক কিলোগ্রাম এবং সময়ের একক সেকেন্ড অন্যভাবে বলতে পারি (M) মিটার, (K) কিলোগ্রাম এবং (S) সেকেন্ড । অর্থাৎ এম. কে. এস বলতে মিটার কিলোগ্রাম সেকেন্ড পদ্ধতি বুঝায়।

বৃটিশ পদ্ধতির বর্ণনা

পদ্ধতি :
১ ফুট = ১২ ইঞ্চি
১ গজ = ৩ ফুট বা ৩৬ ইঞ্চি
১ মাইল = ১৭৬০ গজ
১ ইঞ্চি = ৮ সুতা
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
১ ফুট = ৩০.৪৮ সেন্টিমিটার=০.৩০৪৮ মিটার
১ মাইল = ১.৬০৯ কিলোমিটার
৩.২.০ মেট্রিক পদ্ধতির বর্ণনা
১ সেন্টিমিটার = ১০ মিলিমিটার
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
১ মিটার = ১০০০ মিলিমিটার

ত্রুটিযুক্ত পাতি এবং মেশিন ব্যবহারের সমস্যা
কাজের ক্ষেত্রে সবসময় ত্রুটিযুক্ত পাতি এবং মেশিন শনাক্ত করতে হবে। কারণ ত্রুটিযুক্ত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে কাজের সমস্যা হবে এবং যে কোন ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

প্লাম্বিং ড্রইং পরিমাপ - Plumbing drawing measurements - ট্রাই স্কয়ার

ড্রইং এর ব্যবহার ও বর্ণনা
ড্রইং এর সংঙ্গা

কোন কাজের বিস্তারিত মেজারমেন্ট অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকার রেখা এবং সিল এর মাধ্যমে যে নকশা অংকন করা ক্ষয় তাকে ড্রয়িং বলে। কাজ করতে গেলে ঐ কাজের ড্রয়িং এবং স্পেসিফিকেশন থাকতে হবে। ড্রয়িং এবং স্পেসিফিকেশন অনুসারে সকল কার্য সম্পাদন করতে হবে।

প্রতীক এবং নিল ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা
কোন কাজের বিস্তারিত মেজারমেন্ট অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকার প্রতীক ও সিং এর মাধ্যমে নকশা অংকন করা হয়। কাজ করতে গেলে ঐ কাজের প্রতীক ও নিষ্ফল থেকে বিভিন্ন মালামাল সম্পর্কে কনিষ্ঠ ধারনা পাওয়া যায়। ড্রয়িং এর এসব প্রতীক ও সিল অনুসারে সকল কার্য সম্পাদন করা সহজ হয়। প্লারিং কাজে প্রাককলন করে কাজ করার পূর্বেই খরচের পরিমান সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url